আসসালামু আলাইকুম জনাব,আমাদের দেশে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে সরকারি- বেসরকারি সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে প্রায় প্রতিটি গ্রামেই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ধর্মিও প্রতিষ্ঠান হিসেবে রয়েছে,কিন্তু বঞ্চিত মেয়েদের জন্য এখনো তেমন কোন প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা হয়নি বলে মনে করি। জানামতে বাংলাদেশে অনেক এলাকায়ই স্কুলে ভর্তি হয়ে ফ্রি পড়াশোনা খাওয়া থাকা সহ সম্পুর্ণ দায়দায়িত্ব নিয়ে একটি বঞ্চিত মেয়েদের জন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দেখিনি। একটি দরিদ্র পরিবারে যখন একটি মেয়ে শিশুর জন্ম হয়ে তখন অনেকেই দারিদ্রতা জনিত কারণেই মেয়ে শিশুটিকে লালন পালন করতে তাদের কষ্ট হয়,কোনপ্রকারে মেয়েটি ৫-৬ বছর বয়স হলেই স্কুলে ভর্তি করার সময় হলেই,মা বাবা যদি বেঁচে থাকেন তাহলে শিশুকে লালন পালন করার সুযোগ সুবিধা নিয়ে চিন্তিত থাকেন,হয়তো তাদের অভাবের কারণেই মেয়ে শিক্ষার্থীকে স্কুলে ভর্তি না করেই অনেকেই অন্যকোন বাসাবাড়িতে গৃহকর্মী হিসেবে দিয়ে নীজের ব্যক্তিগত কাজের সন্ধানে প্রবেশ করে থাকেন,আর যদি কোনো গরীব অসহায় পরিবারে, অটিস্টিক,অসহায় দরিদ্র এতিম ডিজেবল গৃহহীন অতিদরিদ্র মেয়ে হয়ে থাকে তাহলে এই অসহায় অবস্থা সীমাহীন কষ্ট ও দুঃখের কারণ, আমাদের দেশে বর্তমান গড় আয়ূ হচ্ছে ৭৪ বছর,কিন্তু অসহায় দরিদ্র জনগোষ্ঠীর গড় আয়ূ অনেক অনেক কম যাহা কল্পনা করাও ভয়াবহ অবস্থা,একটি অসহায় মেয়ের যখন যেখানেই জীবন যাপন করতে ঘরসংসার সামলাতে হয়,তখনই অভাবের কারণেই এই অতি দরিদ্র এতিম ডিজেবল গৃহহীন মেয়েদের শিক্ষা না থাকায়,জীবন জীবিকা অনেকাংশেই স্থবির হয়ে যায়। বিশেষ করে হাওরাঞ্চলের মেয়েরা বেশি সমস্যার মধ্যে জীবিকা নির্বাহ করেন। যে কারনেই দেশের একমাত্র ফ্রী আবাসিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ফিমেইল একাডেমি(BFA)দিরাই সুনামগঞ্জে জন্ম,এখানে যেকোনো বয়সের অসহায় অটিস্টিক ডিজেবল গৃহহীন অতিদরিদ্র এতিম মেয়েদের জন্য,দেশের একমাত্র ফ্রী আবাসিক,সম্পূর্ণ ফ্রি পড়াশোনা খাওয়া থাকা সহ আবাসিক হোটেলে যত্ন সহকারে লালনপালন করে মেয়েটির ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল করতে ও চিন্তিত সুন্দর জীবন গড়তে চেষ্টা করা হয়। ২০০৬ সালে সরকারি-বেসরকারি সহায়তায় ও আমাদের সকল সদস্যদের সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমেই কেবল মেয়েদের অধিকার সংরক্ষণ নিয়েই বাংলাদেশ ফিমেইল একাডেমির জন্ম,জামিল চৌধুরী ও স্ত্রী বেগম রোকেয়া চৌধুরীর দান করা ৭ একর জমি নিজস্ব তহবিল থেকে খরিদ করার মাধ্যমে ৬টি ভবন নির্মাণ করে সরকারের সহায়তায় এগিয়ে যাচ্ছে, বর্তমানে ৬৭২ জন মেয়ে শিক্ষার্থী আবাসিক হোটেলের মধ্যে থেকেই পড়াশোনা খাওয়া থাকা সম্পূর্ণ ফ্রি সুযোগ সুবিধা বিদ্যমান রয়েছে,এই প্রতিষ্ঠানের প্রায় ১ হাজার মেয়ে শিক্ষার্থী লেখাপড়া শেষ করে সরকারি বেসরকারিভাবে দেশে-বিদেশে সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে চাকুরীরত। এখানে প্রথম শ্রেণি থেকে কলেজ পর্যন্ত,সকল ধর্মিও পড়াশোনা,উচ্চ শিক্ষা উন্নয়নের জন্য ডাক্তার নার্স ইন্জিনিয়ার সহ দেশে বিদেশে বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে সহায়তা নিয়ে সরকারি ৫% কোটার ক্ষেত্রে আমাদের প্রতিষ্ঠানকে বাংলাদেশ সরকার সহযোগিতা করে আসছেন। এই প্রতিষ্ঠানে কোন মেয়ে শিক্ষার্থী সম্পূর্ণ ফ্রি পড়াশোনা খাওয়া থাকা সহ আবাসিক হোষ্টেলে থেকেই পড়াশোনা করতে হবে,সেক্ষেত্রে কোন দয়াবান মেয়েদের স্পনসর করতে পারেন। আমাদের প্রতিষ্ঠান থেকে এই মহান কাজে আপনাদের সকলের সহায়তা ও সহযোগিতা কামনা করি। জামিল চৌধুরী সভাপতি ও প্রতিষ্ঠাতা বাংলাদেশ ফিমেইল একাডেমি (BFA) দিরাই , সুনামগঞ্জ, বাংলাদেশ। Call : +88 01711388412 email: jamil.chy50@gmail.com
